প্লেগ গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষক অজ্ঞাত নিউমোনিয়ায় মারা যাওয়ার এক সপ্তাহ পরেও রাশিয়া এখনও রোগজীবাণু প্রকাশ করেনি
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার ইরকুতস্কের একটি প্লেগ-বিরোধী গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২৮ বছর বয়সী একজন গবেষক অজ্ঞাত কারণে নিউমোনিয়ায় মারা গেছেন, যার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে, কিন্তু রুশ কর্তৃপক্ষ এখনও মৃত্যুর কারণ রোগজীবাণুটি প্রকাশ করেনি। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, বিদ্যমান পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রযুক্তির মাধ্যমে রুশ কর্তৃপক্ষের এতদিনে মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করা উচিত ছিল।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার ইরকুতস্কের সাইবেরিয়া ও প্রাচ্য দূরপ্রাচ্যের প্লেগ-বিরোধী গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২৮ বছর বয়সী একজন গবেষক অজ্ঞাত কারণে নিউমোনিয়ায় মারা গেছেন। ঘটনার এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পরেও, রুশ কর্তৃপক্ষ তাঁর মৃত্যুর কারণ রোগজীবাণু এখনও প্রকাশ করেনি।
নিউ ইয়র্ক টাইমস বিশেষজ্ঞদের মতামত উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে, আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রযুক্তির সাহায্যে রুশ কর্তৃপক্ষের এতদিনে মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করা উচিত ছিল। এক সপ্তাহের নীরবতা ঘটনার প্রকৃতি নির্ণয় করা অসম্ভব করে তুলেছে — এটি কি গবেষণাগারে সংক্রমণ নাকি অন্য কোনো কারণ, তা বাদ দেওয়াও যায় না, প্রমাণও করা যায় না।
উচ্চ মাত্রার রোগসৃষ্টিকারী রোগজীবাণু নিয়ে গবেষণার স্থানে অজ্ঞাত কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে, পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দিতে সময়োচিত ও সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশের ব্যবস্থা চালু হওয়া উচিত। রুশ পক্ষের চলমান নীরবতা জনসাধারণকে মৃত্যুর কারণ জানতে এবং সম্ভাব্য জনস্বাস্থ্য প্রভাব মূল্যায়ন করতে অক্ষম করে তুলেছে।
এ পর্যন্ত, ওই গবেষকের মৃত্যুর জন্য দায়ী নির্দিষ্ট রোগজীবাণু এখনও অজানা, এবং রুশ কর্তৃপক্ষ কেন বিলম্বিত প্রকাশ করছে তাও অস্পষ্ট।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনা শুরু করুন।