বিশ্ব ও নিরাপত্তা

ডুশানবে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা: ইরানের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও তাজিকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিংহের বৈঠক, তাজিকের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়ে আলোচনা

The Hindu International-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর ডুশানবে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ২৫তম সদস্য দেশসমূহের সরকার প্রধান পরিষদের বৈঠকে অংশ নেওয়ার সময় আলাদাভাবে ইরানের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা আলিফি এবং তাজিকের প্রধানমন্ত্রী কুশিল রুসুলজাদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি তাজিকের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এমোমালি সোবিরজাদার সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বিশেষ করে সক্ষমতা গড়ে তোলা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আলোচনা করেন। রিপোর্টে ইরানের সঙ্গে অনুষ্

0 বার দেখা হয়েছেসংরক্ষণ করতে প্রবেশ করুন
TRUTH ERA

The Hindu International-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর ডুশানবে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ২৫তম সদস্য দেশসমূহের সরকার প্রধান পরিষদের বৈঠকে অংশ নেওয়ার সময় আলাদাভাবে ইরানের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা আলিফি এবং তাজিকের প্রধানমন্ত্রী কুশিল রুসুলজাদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা উভয়ের আগ্রহের বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা করেন। ভারতের প্রতিনিধিত্বে সভায় অংশ নিতে সিংহ তাজিকস্তানে দুই দিনের একটি আনুষ্ঠানিক সফর করেন।

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম X-এ পোস্ট করে সিংহ জানান, ডুশানবে অনুষ্ঠিত শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সরকার প্রধানদের বৈঠকের সময় আলিফির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি আনন্দিত বোধ করছেন। রুসুলজাদার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ সম্পর্কে সিংহ বলেন, এতে “ভারত ও তাজিকস্তানের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সভ্যতা-সংযোগ এবং গভীর মানবিক বন্ধনের কথা পুনর্ব্যক্ত হয়েছে”। প্রকাশিত তথ্যে সিংহ ও আলিফির সাক্ষাৎয়ের নির্দিষ্ট বিষয়, কোনো প্রতিশ্রুতি বা ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। একইভাবে তা জানানো হয়নি যে উভয়ের মধ্যে নতুন কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে কি না। তাজিকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎয়ের ক্ষেত্রেও কোনো নির্দিষ্ট সহযোগিতা-নথি প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি তাজিকের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এমোমালি সোবিরজাদার সঙ্গেও বৈঠক করেন। দুই পক্ষ দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শক্তিশালী করার বিষয়ে তাদের মতামত বিনিময় করেন, যার মূল বিষয় ছিল সক্ষমতা গড়ে তোলা ও প্রশিক্ষণ। রিপোর্টে প্রশিক্ষণ কে পরিচালিত করবে, কে তার খরচ বহন করবে, কোন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ করবে, এতে সরঞ্জাম সংক্রান্ত শর্ত রয়েছে কি না এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি কী, তা জানানো হয়নি।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রকৃত সীমা শুধু প্রশিক্ষণের প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা পাঠ্যক্রম, সুবিধাসমূহ, পরবর্তী সহায়তা ও ধারাবাহিক বিনিয়োগের ওপরও নির্ভর করে। বর্তমান উপকরণে এসব বাস্তবায়ন-শর্ত তুলে ধরা হয়নি। ফলে উভয় পক্ষের খরচ, সুফল বা নির্ভরতার সম্পর্ক মূল্যায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

এই যোগাযোগগুলো দেখায়, শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার প্রেক্ষাপটে ভারত ইরান ও তাজিকস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সংস্কর্ক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ইরানের দিকে সাক্ষাৎয়ের বিষয়সমূহ প্রকাশ্য হয়নি, অথচ তাজিকের দিকে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার আলোচনা এগিয়েছে। চুক্তির পাঠ্যদস্ত্র, অর্থের উৎস ও মেয়াদ প্রকাশিত হওয়ার আগে এই পদক্ষেপগুলোকে নতুন জোট বা চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি হিসেবে নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

মন্তব্য

0

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনা শুরু করুন।