বিশ্ব ও নিরাপত্তা

ইয়েমেন আবার আঞ্চলিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছে: ২০২২-এর পরের আপেক্ষিক শান্তি কখনো স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানে পরিণত হয়নি বলে গবেষকের মন্তব্য

ফ্রান্স ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরাসি আরব ও মুসলিম বিশ্ব গবেষণা সংস্থা (IREMAM)-এর গবেষক জুল গ্রাঁজি গাস্তিনেল সতর্ক করেছেন যে ইয়েমেন দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সংঘাত থেকে নতুন আঞ্চলিক দ্বন্দ্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২২-এর পরে যে আপেক্ষিক শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা স্থায়ী রাজনৈতিক ব্যবস্থায় রূপ নিতে পারেনি এবং দেশটি এখনও পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে।

0 বার দেখা হয়েছেসংরক্ষণ করতে প্রবেশ করুন
TRUTH ERA

ফ্রান্স ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরাসি আরব ও মুসলিম বিশ্ব গবেষণা সংস্থা (IREMAM)-এর গবেষক জুল গ্রাঁজি গাস্তিনেল সম্প্রতি সতর্ক করেছেন যে ইয়েমেন দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সংঘাত থেকে নতুন আঞ্চলিক দ্বন্দ্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক সব পক্ষকে গভীর উদ্বেগে ফেলেছে।

সাক্ষাৎকারে গাস্তিনেল স্পষ্টভাবে বলেছেন যে ২০২২-এর পরে প্রতিষ্ঠিত আপেক্ষিক শান্তি কখনো স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানে পরিণত হয়নি। তাঁর মতে, এই শান্তি কেবল সংঘাতের তীব্রতায় সাময়িক লাঘব ছিল, রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা স্থিতিশীলতা নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে ইয়েমেন এখনও পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় অভিন্ন শাসন কাঠামো পুনরুদ্ধার হয়নি।

গাস্তিনেল নতুন আঞ্চলিক দ্বন্দ্বকে মাঝে মাঝে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা না বরং কাঠামোগত দ্বন্দ্বের অব্যাহত অমীমাংসিত অবস্থার ধারাবাহিকতা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। ফ্রান্স ২৪-এর প্রতিবেদনে নতুন উত্তেজনার নির্দিষ্ট ট্রিগার ঘটনা, সময়সীমা বা সরাসরি সংঘর্ষে জড়িত পক্ষগুলো প্রকাশ করা হয়নি। একইভাবে বাহ্যিক শক্তিগুলোর—যার মধ্যে পশ্চিমা দেশগুলোর অস্ত্র বিক্রি, জোট সমর্থন বা নিষেধাজ্ঞা কাঠামো অন্তর্ভুক্ত—এই পরিস্থিতির বিবর্তনে নির্দিষ্ট ভূমিকা নিয়েও কিছু বলা হয়নি।

গাস্তিনেলের বিশ্লেষণ একটি বারবার দেখা দেওয়া সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে: যখন পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিরোধে থাকে এবং অভিন্ন শাসন কাঠামো পুনর্গঠন করা সম্ভব হয় না, তখন যে কোনো সময়ে সুপরিচিত শান্তি নতুন দ্বন্দ্বের কাছে জায়গা ছেড়ে দিতে পারে। ইয়েমেন এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে কি না, তা নির্ভর করে এমন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া গড়ে তোলার ওপর—যা সব পক্ষের স্বার্থকে সামলাতে পারে। আর এটিই ২০২২ সাল থেকে অনুপস্থিত।

মন্তব্য

0

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনা শুরু করুন।