ফ্রান্সে জীবনখরচ বৃদ্ধির প্রতিবাদের পর ম্যাক্রোন আমিরাত-বাহরাইন মিলিয়ে মাসে ২ লাখ টন বাড়তি ডিজেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি অর্জন করলেন
ফ্রান্স ২৪ ইংরেজি চ্যানেল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দপ্তরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, গুল্ফ অঞ্চলে প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ সফরের সময় ম্যাক্রোন আমিরাত ও বাহরাইন থেকে মিলিয়ে মাসে ২ লাখ টন অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি অর্জন করেছেন। এর লক্ষ্য ফ্রান্সের পেট্রোলিয়াম ও ডিজেল সরবরাহ বাড়িয়ে দেশীয় দাম কমানো। এর আগে ফ্রান্সে জীবনখরচ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সপ্তাহশেষে সহিংস প্রতিবাদ হয়েছিল। সংক্ষেপে কোনো চুক্তির মেয়াদ, দাম, ডেলিভারির সময় বা খুচরো মূল্যে প্রভাব জানানো হয়নি; তাই এই অতিরিক্ত স
ফ্রান্স ২৪ ইংরেজি চ্যানেল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দপ্তরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, গুল্ফ অঞ্চলে প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলো সফরের সময় ম্যাক্রোন আমিরাত ও বাহরাইন থেকে মিলিয়ে মাসে ২ লাখ টন অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি অর্জন করেছেন। ফ্রান্স ২৪-এর বর্ণনা অনুযায়ী, এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল আরও পেট্রোলিয়াম ও ডিজেল সরবরাহ এবং ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ দাম কমানো। এর আগে ফ্রান্সে জীবনখরচ বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সপ্তাহশেষে সহিংস প্রতিবাদ হয়েছিল।
এই ব্যবস্থাটি প্রতিবাদের পরে হয়েছে। ফ্রান্স ২৪ ম্যাক্রোনের জ্বালানি ক্রয়কে সরাসরি ফ্রান্সের দাম কমানোর সঙ্গে যুক্ত করেছে, যা দেখায় ডিজেলের অতিরিক্ত সরবরাহ জীবনখরচের অসন্তোষের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সরকারের একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ। তবে এতে প্রতিবাদের সব কারণ ব্যাখ্যা করা যায় না, আর জটিল জীবনখরচ সংকটকে একটিমাত্র জ্বালানি-কেন্দ্রিক কারণের ধারাবাহিকতায় সরু করা উচিত নয়।
ক্রয়-সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্রান্স ক্রেতা এবং আমিরাত ও বাহরাইন বিক্রেতা; ম্যাক্রোন নিজে গুল্ফে গিয়ে প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলোর সঙ্গে সংস্পর্শ করেন। অতিরিক্ত সরবরাহের পরিমাণ প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দপ্তর, কিন্তু দুই পক্ষের মধ্যে সরকারি পর্যায়ের ব্যবস্থা নাকি বাণিজ্যিক চুক্তি নেওয়া হয়েছে তা জানানো হয়নি। দাম, মেয়াদ, ডেলিভারির সময় বা অন্যান্য শর্তও প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী নিশ্চিত করা যায় প্রেসিডেন্ট দপ্তর কর্তৃক ঘোষিত একটি কূটনৈতিক ও ক্রয়-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি; তবে ফ্রান্স আরও অনুকূল সরবরাহ শর্ত পেয়েছে—এ বিষয়ে প্রমাণ করার মতো তথ্য নেই।
পরিবারের ক্ষেত্রে, মাসে ২ লাখ টন এখনও কেবল একটি সরবরাহ প্রতিশ্রুতি। চাপ কমবে কি না তা নির্ভর করে ডেলিভারির সময় এবং পাইকারি দাম থেকে খুচরো পর্যায়ে দামের পরিবর্তন কতটা প্রভাব ফেলছে তার ওপর; ফ্রান্স ২৪ সংশ্লিষ্ট কোনো হিসাব দেয়নি, আর খুচরো দাম কমেছে—এমন কোনো তথ্যও দেখায়নি। একইভাবে, ফ্রান্সের সরকার পরিবারভিত্তিক নগদ, ভর্তুকি বা মূল্য-ব্যবস্থার কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কি না তা জানানো হয়নি। ডেলিভারি ও দামের তথ্য হাতে আসার আগে এই অতিরিক্ত সরবরাহকে পরিবারের আর্থিক চাপ কমার প্রমাণ হিসেবে লেখা যায় না।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনা শুরু করুন।